আধুনিক সভ্যতায় বিদ্যুতের ভূমিকা

বিজ্ঞানে শত অফিরে মধ্যে বিষয় আবিষ্কার হলাে বিদ্যুৎ । সভ্যতার বিকাশে বিদ্যুতের ব্যবহার মানব জীবনের বড় যক্তিত্ব ইত্যহিক জীবনে এ মুহী হার অপরিহার্য । সময় ও পত্রিবেশের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলেই শক্তির প্রয়ােজন ।

‘‘ Encricity is itself a great power that could easily vibrate the whole universe . ”

এ শক্তিই আমাদের জীবনের সাথে অঙ্গীভুত । আর বিদ্যুৎ থেকেই আমরা পেয়েছি সব শক্তি যেকোনাে উৎপাদনমূলক কাজে বন্ধুত্রে হাবিহার ও প্রসার Electricity – এক ভাষা থেকেই এসেছে । এর অর্থ পীতাভ তৈল ‘ । এ নামটি দেন উইলিয়াম বির । আধুনিক ইন অনুরে জ পদার্থের বৈশিষ্ট্য মূলত ইলেকট্রক্যাল বা বৈদ্যুতিক । পদার্থের মূল একক নেগেটিভ চার্জ , এ পজেটিভ চার্জ , ইন চার্জ সময়ে গঠিত । মাইকেল ফ্যারাডে ১৮৩১ সালে বিদ্যুৎ আবিষ্কার করেন । কোনাে বন্ধুকে প্রতিক হাগু কু কই নেওয়া হলে এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় । কাঁদকে রেশম দ্বারা ঘর্ষণ করলে বিদ্যুৎ সৃষ্টি হয় । হানিকে শুভি হিং উৎকন স্থায় । সু দিলে লিবিং করব না বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে । আরও নতুন পদ্ধতি হলাে গ্যাসটারবাইন ও নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর দুলহায্যে হং উৎপাদন । হত ৷ মিটার দ্বারা বিদ্যুৎ প্র < স্তে শক্তি ওতব্রতা পরিমাপ করা যায় ।

আধুনিক সভ্যতায় বিদ্যুতের ভূমিকা

ইলেক্ট্রনিক মোটর ছাত্র লেক তোকে ঠিক তেজ রূপান্তরিত হয় । বলে রে : যে বস্তু দত্তে হয় গড়ে ওঠছে আধুনিক সভ্যতা তার সিংহভাগই ব্যবহার সুছে বিদ্যুতের শক্তি বড় = নকল কে ক্র ত হ মহা – অন্তজে ন স ই বিদ্যুৎ শক্তি সাহায্যে মানব কল্যাণে ব্যবহৃত এই মাত্রা সে , ভজন , কে ভুলি হ ক গতি দিবা যন্ত্রপতি চালনা হি তার রা তৈরি হয় বিদ্যুৎ । কাজেই


আধুনিক জীবনের বিদ্যুৎ

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিদ্যুতের ব্যবহার সর্বাধিক । একটি গৃহে যে সকল সামগ্রী দ্বারা আধুনিক জীবন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়ে থাকে তার সবগুলােই বিদ্যুতের দ্বারা চলে । ইলেকট্রিক হিটার , ফ্যান , ফ্রিজ ইত্যাদি সহ অন্যান্য সকল প্রকার নিত্য ব্যবহার্য যন্ত্রপাতি আমাদের জীবনে আরাম – আয়েশ এবং প্রশান্তি বর্ধক । বিদ্যুৎ শুধু সবকিছুকে দ্রুত সমাধান করেই ক্ষান্ত হয়নি এর বদৌলতে আমরা সময়ের অপচয় রােধ করতে পারছি । বিদ্যুৎ বিভিন্নভাবেই উৎপাদিত হতে পারে । তাই বিদ্যুতের অসুবিধা হলে জেনারেটরের সাহায্যে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দিয়েও কাজের গতি অব্যাহত রাখা হয় । বিদ্যুৎ ও আধুনিক সভ্যতা : প্রাচীন কালের অন্ধকার জগতের অসভ্য মানুষ ক্রমান্বয়ে সভ্যতার জগতে পদার্পণ করেছে , পেয়েছে আলাে ঝলমলে জীবনের সন্ধান । এই আলােকদীপ্ত সভ্যতা বিজ্ঞানের দান । এই সভ্যতার চালিকাশক্তি বিজ্ঞানের বিস্ময়কর আবিষ্কার বিদ্যুৎ । আধুনিক সভ্যতা বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল । বিদ্যুৎ ছাড়া এই যুগের মানুষের জীবন অচল । ঘরে আলাে জ্বালানাে থেকে শুরু করে পাখার বাতাস , কলকারখানা , যন্ত্রপাতি চালানাে সকল কাজে বিদ্যুতের অবদান অনস্বীকার্য ।

জীবনের প্রয়ােজনে আজকাল প্রায় সকল কাজই বিদ্যুতের মাধ্যমে চলে । তাই বলা যায় , আধুনিক সভ্যতা বিদ্যুৎ নির্ভর সভ্যতা । এ যুগের মানুষ দৈনিক ২৪ ঘণ্টা সময় কেউ না কেউ কোনাে না কোনােভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে । আজকাল লােডশেডিং প্রকোপ থেকে আপদকালীন সময়ে রেহাই পাওয়ার জন্য গৃহে চার্জার ব্যবহার করা হচ্ছে । এ চার্জার বিদ্যুতের সাহায্যেই চার্জ করে রাখা হয় । কাজেই এ সবকিছু বিবেচনা করলে আমাদের আর কোনাে সন্দেহ থাকে না যে আধুনিক জীবন ব্যবস্থা বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল ।

চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিদ্যুতের অবদান

আধুনিক চিকিৎসায় বিদ্যুতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । বিদ্যুৎ ছাড়া উন্নত চিকিৎসা মােটেই সম্ভব নয় । মানুষের দেহের ভিতরের রােগ নির্ণয়ের জন্য এক্সরে বা রঞ্জনরশ্মি , ইসিজি , আন্ট্রাসনােগ্রাফ প্রভৃতি যন্ত্র আবিষ্কার করা হয়েছে । চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত এসব যন্ত্র চলে বিদ্যুৎ | সাহায্যে । তাছাড়া বিদ্যুতের সাহায্যে ক্যান্সারের থেরাপি দেওয়া হয় ।

কৃষি ও শিল্প কারখানায় বিদ্যুতের অবদান

আধুনিক যুগের প্রতিটি কাজে বিদ্যুতের অবদান রয়েছে । শিল্প কলকারখানার চাকা ঘােরে বৈদ্যুতিক টারবাইনের সাহায্যে । বিদ্যুৎ ছাড়া কারখানা অচল । অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ বন্ধ । আজকাল কৃষি কাজেও বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে । বিদ্যুতের মাধ্যমে ফসলের জমিতে সেচ দেওয়া হচ্ছে । এতে অনাবৃষ্টিতেও ফসলের ক্ষতি হচ্ছে না । বিদ্যুৎ কঠিন কাজকে সহজ করে দিয়েছে , অসম্ভবকে করেছে সম্ভব । যােগাযােগ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ : উন্নত বিশ্বে যােগাযােগ ব্যবস্থাকে সহজ করে দিয়েছে বিদ্যুৎ । বিদ্যুতের সাহায্যে বিভিন্ন যানবাহন । চলছে । ভারি জিনিস তুলতে ব্যবহার করা হচ্ছে ক্রেন , উঁচু ভবনে উঠা – নামা করতে যে লিফট ব্যবহার করা হচ্ছে তা বিদ্যুতের সাহায্যে চলছে । তাছাড়া ইন্টারনেট , ই – মেইল , টেলিফোন , টেলিভিশন , মােবাইল , কম্পিউটারসহ আরও অনেক যন্ত্র বিদ্যুৎ শক্তির সাহায্যে চলছে ।

Leave a Reply