মানবসম্পদ উন্নয়নের শিক্ষার গুরত্ব

মানুষ সৃষ্টির কান্না জীৎ । শ্রষ্টা মানুষকে হাত , পা ও বিভিন্ন অঙ্গ – প্রত্যঙ্গ দিয়ে অত্যন্ত সুন্দরভাবে সৃষ্টি করেছেন । শুধু মানব সস্থান হিসেবে জানুহলী কলেই মালুত্রে যােগ্যতা ও দক্ষতা অর্জিত হয়ে যায় না । মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব তখনই প্রতিপন্ন হয় , যখন মানুষ মিয় কম ও কক্সক্ষার মাধ্যমে নিজেকে মাইক প্রমাণ করতে পারে । আর সেটা অর্জন সম্ভব হয় কেবল শিক্ষার মাধ্যমে । শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ নিজেকে যােগ্য ও উপযুক্ত কত্রে গড়ে তুলতে সক্ষম হয় । শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য হলাে মানুষের মধ্যে আত্মশক্তি ও ২ , ফুল কম সং = ক তাকে উন্নত হয় মানুষে পরিণত । শিক্ষার মাধ্যমে দেশের মানুষকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত যায় শত শত এক্সাম দেশে মূলবান মলদ । তাই মানবসম্পদ উন্নয়নে শিক্ষার ভূমিকা অপরিহার্য । সাধ্যাবে মানসম্পদ বলতে মানুষকে সম্পদ হিসেবে বিবেচনা কে বোঝায় । বাস্তবিক পরেই বর্তমান বিশ্বে মানুষকে সম্পদ হিসেবে বা লা হয় । একটি দেশের ব্যাৰ ঠ ও দক্ষ জনগােষ্ঠীই হল সেদেশে মানস । সুদক শহ্নি এলাচ জাতির জন্য অভিশ ” । বিপুল জনসংখ্যা অণুষিত বাংলাদেশে দক্ষ জনশক্তি বড়ই অভাব । এ কারণ হলো । শক্ষার অভব শ মানুষকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত কত্রে । এর মধ্যে বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষা অতি সহজেই মানুষকে মানবদে পরিণত কতে পারে ।

মানবসম্পদ উন্নয়নের শিক্ষার গুরত্ব

মানবসম্পদ উন্নত বলতে বেৰা মানুষকে প্রতিটি কাজের জন্য যথাযোগ্য করে গড়ে তোলা । অর্থাৎ মানুষ হিসেবে বেচে যার জন্য মৌলিক চাহিদাসমূহ পূরণ করে তার সহজাত ও সুপ্ত মতা বিকাশের অনুকূল পরিবেশ ও সুযােগ দিড়ে দক্ষ হিসেবে গড়ে তােলাই হলো মানবসম্পদ উন্নয়ন । জন্মগতভাবেই মানুষ কিছু সুপ্ত প্রতিভা নিয়ে জনুগ্রহণ করে । উপযুক্ত শিক্ষ , প্রশিক্ষণ ও পরিবেশের মাধ্যমে মানুবের সেই সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটতে পারে । মানবসম্পদের উন্নয়ন ব্যতীত একটি দেশ উন্নতির চরম শিখরে আব্রেহণ প্রতে পারে না । মানবসম্পদ যত কর্মঠ হয় জাতির উন্নয়ন তত ত্বরান্বিত হয় । শিক্ষাকে বর্তমান বিশ্বে মানবসম্পদ উন্নয়নের হাতিয়ার বলে বিবেচনা ব্রা হয় ।


মানবসম্পদ উন্নয়নের সংজ্ঞা

বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থা মানবসম্পদ উন্নয়নকে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন ফ্রেডারিক হার্বিসন ও চার্লস এ মায়ার্স – এর মতে , “ মানবসম্পদ উন্নয়ন বলতে এমন এক প্রক্রিয়াকে বােঝায় , যার মাধ্যমে কোনাে সমাজের সকল মানুষের জ্ঞান , দক্ষতা ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় । ” বিশ্বব্যাংকের মতে , “ মানবসম্পদ উন্নয়ন হলাে কোনাে রাষ্ট্রের মানুষের সামগ্রিক বিকাশ প্রক্রিয়ার একটি অংশ , যার মাধ্যমে রাষ্ট্রের সমগ্র জনসংখ্যার কর্মে নিযুক্তির সম্ভাবনা বাড়ানাে যায় এবং তার মাধ্যমে সামাজিক অসাম্য দূর করা যায় । ” আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ( ILO ) মানবসম্পদ উন্নয়ন বলতে ব্যক্তিকে কর্মে নিযুক্ত করার সম্ভাবনা বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে বিবেচনা করেছে । মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রয়ােজনীয়তা : বাংলাদেশের আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যা অনেক বেশি । এদেশের অধিকাংশ লােকই । অশিক্ষিত । একটি দেশের সার্বিক উন্নয়নে মানবসম্পদ উন্নয়নের কোনাে বিকল্প নেই । অথচ আমাদের অধিকাংশ লােকই অদক্ষ ও অজ্ঞ । এই অদক্ষ লােকজন দেশের কোনাে উন্নয়নে কাজে আসে না । কেননা এসব অদক্ষ লোেক কোনাে কাজ ভালােভাবে সম্পন্ন করতে পারে না ।

একজন শিক্ষিত ও দক্ষ লােক একটা কাজে যতটা সাফল্য অর্জন করতে পারে একজন অশিক্ষিত ও অদক্ষ লােকের পক্ষে তার কিছুটাও সম্ভব নয় । অন্যদিকে , একটা দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নির্ভর করে দক্ষ মানবসম্পদের ওপর । শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ না থাকলে দেশের সমুদয় সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার করা সম্ভব হবে না । তাই মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রয়ােজনীয়তা । অপরিসীম ।

মানবসম্পদ উন্নয়নে শিক্ষার গুরুত্ব

শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড । একটি জাতিকে উন্নত করতে হলে সকল নাগরিকের জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে । যেকোনাে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদের কোন বিকল্প নেই । কোনাে দেশের জাতীয় উন্নয়ন সুনিশ্চিত করার জন্য প্রথমে সেদেশের মানবসম্পদের উন্নয়ন করা অতীব জরুরি । আর এটা কেবল সম্ভব হবে । মানুষের মধ্যে জ্ঞানের আলাে প্রজ্জ্বলন করতে পারলে । শিক্ষা মানুষকে জ্ঞানশক্তির দ্বার খুলে দেয় । মানুষের সুপ্ত প্রতিভা ও আত্মশক্তি বিকাশ ঘটাতে পারে একমাত্র শিক্ষা । একজন শিক্ষিত লােক দেশের সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার করতে পারে । আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে কর্মমুখী শিক্ষাকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত । কেননা আমাদের দেশে এমন অনেক শিক্ষিত লােক আছে , যারা কর্মসংস্থানের সুযােগ পাচ্ছে না । ফলে বেকার জীবনযাপন করছে ।

অর্জিত শিক্ষাকে জীবনমুখী করতে না পারলে মানবজাতিকে যথাযথ ভাবে মানবসম্পদে পরিণত করা যাবে না । আমাদের দেশে বাস্তবমুখী শিক্ষার সুযােগ না থাকায় বেকারত্বের হার দিন দিন বেড়েই চলেছে । ইদানীং কিছু কারিগরি প্রতিষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপিত হচ্ছে । কিন্তু এদেশের বিশাল জনগােষ্ঠীর তুলনায় তা নিতান্তই সামান্য । তাই জাতীয় অগ্রগতি ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে কর্মমুখী শিক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে ।

মানবসম্পদ উন্নয়নে শিক্ষার অবদান

মানুষকে মানবসম্পদে পরিণত করার জন্য কিছু উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা প্রয়ােজন । এজন্য সঠিক কর্মসূচি গ্রহণ , সেই সাথে বিভিন্ন সংগঠন গড়ে তােলা ও যথাযথ প্রযুক্তি নির্দিষ্টকরণ এবং তা প্রয়ােগের ব্যবস্থা করতে হবে । আর দেশের জনসম্পদকে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে হলে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের কোনাে বিকল্প নেই । কারণ মানবসম্পদ উন্নয়নে বিভিন্নভাবে অবদান রাখে ।

Leave a Reply